বিয়েতে নাফরমানি ও ভন্ডামি
পর্দাশীল ক্যাটরিনা দেখতে আসেন? পর্দাশীল হবে আবার নাইকাদের মতো স্টাইল করে পরপুরুষের দৃষ্টি আকর্ষন করবে। পর্দাশীল বোনদের আদর্শ কখনো তারা হতে পারে না যারা নিজের দেহ দেখিয়ে টাকা উপার্জন করে। কোন কাফির, মুশরিক তো কখনোই না।
টাকাওয়ালা মেয়ে খুঁজে চাকরি করা মেয়ে তোমরা নিজেরা কি নারীবাদী না?
বয়স কম হবে কিন্তু অনেক শিক্ষিত। বয়স কম হবে ভালো তবে এতো শিক্ষিত কিভাবে হবে? পাত্র সাহেব বলি কি,,,,, পাবনায় যান। বেশি শিক্ষিত মেয়ে হলে বয়স কেমনে কম হয়!! অনার্স পাশ করলেই ২০ এর ওপরে হয়ে যায় বয়স। দ্বীনদ্বার নাম দেন নিজেদের। আর দেখতে আসেন নন মাহরাম নিয়া। দ্বীনদ্বার না খুঁজে বাপ, মায়ের টাকা সম্পত্তি আর রূপ টাকেই তোমরা বেশি মূল্যয়ন করেন। রূপ থাকলে অর্ধ উলঙ্গ মেয়েরাও তোমাদের কাছে বেস্ট। বিয়ের পর ঠিক হয়ে যাবে একটা অনিশ্চিত বাক্য বলে ফরজ বিধান নিয়ে চিন্তা না করে নিজেও বেপর্দা আর অশালীন জীবন নিয়ে পরে থাকেন ভালো কথা বলা, সতর্ক করা ছেলেটাও । এমন অভাব নেই।
আপনি উপদেশ দিতে পারবেন ইন শা আল্লাহ। হেদায়েতের মালিক আল্লাহ। আল্লাহ যাকে খুশি হেদায়েত দেন।
🌼নিশ্চয় তুমি যাকে ভালবাস তাকে তুমি হিদায়াত দিতে পারবে না; বরং আল্লাহই যাকে ইচ্ছা হিদায়াত দেন। আর হিদায়াতপ্রাপ্তদের ব্যাপারে তিনি ভাল জানেন।(সূরাঃ আল কাসাস,আয়াতঃ৫৬)
🌺সৎ চরিত্রবান পুরুষ সৎ চরিত্রবান নারীদের বিয়ে করুন।
দ্বীনদ্বারিতাকে প্রাধান্য দিন।
☘️আর হ্যাঁ তোমাদের বলছি যারা পর্দাশীল খুঁজো,,,, বিয়ের পর তো বেগানা পুরুষদের সামনে যেতে বাধ্য করো। নিজের বউ যেন পাবলিকের সম্পত্তি। অন্যের সামনে প্রদর্শন করতে হয়। কথা না শুনলেই অত্যাচার শুরু। বিয়ের সময় মনে থাকে না? কেন মেয়েদের জীবন নষ্ট করার চেষ্টা করেন।
🌼“তোমরা ঘরের ভেতরে অবস্থান করবে- প্রথম অজ্ঞতার যুগের মতো নিজেদেরকে প্রদর্শন করবে না। নামায কায়েম করবে, যাকাত প্রদান করবে এবং আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করবে। হে নবী পরিবারের সদস্যবর্গ! নিশ্চয় আল্লাহ কেবল চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে পূর্ণরূপে পূত-পবিত্র রাখতে।” (৩৩:৩৩)
🌼“হে নবী! আপনি আপনার পত্নীগণ ও কন্যাগণ এবং মুমিনদের স্ত্রীগণকে বলুন, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দংশ নিজেদের উপর টেনে নেয়। এতে তাদেরকে চেনা সহজ হবে এবং তারা উপদ্রব ও নিপীড়নের শিকার হবে না। আল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু।” (৩৩:৫৯)
🌼ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের যৌন অঙ্গের হেফাযত করে। তারা যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে রাখে এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ, ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত কারো আছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, তারা যেন তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পদচারণা না করে। মুমিনগণ, তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও।(সূরাঃ আন নূর, আয়াতঃ৩১)
তারা কি কুরআন পড়ে না? আল্লাহর হুকুম মানেনা?!
ছেলেরাও দৃষ্টির হেফাজত করে না। নিজেকে পবিত্র রাখেনা। গয়রতহীন পুরুষে পরিনত হচ্ছে।
🌼মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গর হেফাযত করে। এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে। নিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ তা অবহিত আছেন।(সূরাঃআন নূর, আয়াতঃ৩০)
☘️ছেলেদের অনেকেই আবার পরকিয়ায় ব্যাস্ত। একটু সার্টিফিকেট, সম্পত্তি, সৌন্দর্যে, টাকায় বেশি হলেই সে নারীর ওপর আকৃষ্ট হয়। বাচ্চা থাকলে বাচ্চার চিন্তাও করেন না। আমি বলিনি মেয়েরা এমন নেই। আছে। আপনারা ভালো মেয়েদের মর্যাদা দিতে না পারলে বিয়ে কেন করেন তাদের। আপনারা নিজেরাই তো নারীবাদী আর লোভী। যৌতুকের কথা তো আছেই। দৃষ্টি নত না রাখলে রাস্তার কুকুরকেও তখন ভাল্লাগে কুদৃষ্টি দিতে। তাদের তখন মনে শান্তি থাকেনা বউ/বউয়েরা যতোই সুন্দর হোক।
🌺আপনি দ্বীনদার হওয়ার চেষ্টা করুন। দৃষ্টি নত রাখুন। কুরআন, সুন্নাহ আকড়ে ধরুন।
💔বিয়ের ধরন টা হয় হারাম দিয়ে সাজানো। গান বাজনা, নাচ, বেগানা নারী পুরুষের মিলন মেলা, গায়ে হলুদ ইত্যাদি। আপনি ঘরে বসে থাকেন আর আপনার বউ ছেলে সেজে বাইরে গিয়ে পরপুরুষ দ্বারা আকৃষ্ট হয়। আফসোস। আপনার বউ ছেলে বন্ধু নিয়া মাতামাতি আর আপনি আরও উৎসাহ দেন। লজ্জা থাকা দরকার। আর আপনার বউ যখন নিজেকে ঢেকে রাখে তখন আপনার সহ্য হয় না। পার্টি তে, রেস্টরন্টে, পার্কে, বন্ধুর বাড়ি, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নিজের বউকে প্রদর্শন করান। মানুষ কে পন্য মনে হয়? সে মূল্যবান নিজেকে ঢেকে রাখবে।

Comments
Post a Comment
আপনার ইতিবাচক মন্তব্যের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ