আমরা প্রকৃত বন্ধু চিনতে শিখুন।
জাহান্নামে গেলে তাদের কোনো ক্ষতি আছে কি?? কিছু মানুষ আছে আমরা হারাম কাজে লিপ্ত হলে আমাদের বাঁধা দেয়।দোস্ত/ভাই/বোন এটা হারাম এই কাজ করবেন/করিস না।" সম্মানের কথা ভেবে ও অন্যের দোষ গোপন করতে পাবলিক প্লেসেও কিছু বলে না। ইনবক্সে এসে গোপনে বলে। তারাই আমাদের প্রকৃতভকবে উপাকার করা মানুষ।তাই তারা চায় না আমি জাহান্নামে যাই।
জবাবে আমরা বলি তুমি কতোটা ভালো জানি না?? অথবা তার অতীত নিয়ে টান দিই যেমন, জনিনা আগে কেমন ছিলা! ভালো সাজতে আসছো? নিজে কয়টা সুন্নাত পালন করো? জ্ঞান দিতে এসেছো! নিজের চরকায় তেল দাও।
এখন দুনিয়াতে কেউ ই শতভাগ নিষ্পাপ না। কেউই পার্ফেক্ট না। প্রত্যেকেই ভুল করে।আর মানুষ ভুল করবে এইটাই স্বাভাবিক। একজন আরেকজনকে সতর্ক করা প্রত্যেক মুসলিমের উপর দায়িত্ব।
আমাদের যে বন্ধুটা সতর্ক করে সে হয়তো কখনো বলেনি যে আমি শতভাগ নিষ্পাপ। আমাদের দোষ ধরলে আমাদের দোষ ধরেছে কেন,এই জন্য রাগে গয়ে তাকে ভন্ড মোল্লা ট্যাগ লাগিয়ে দেয় আমরা।
একবারও ভেবে দেখিনা যে, সে কেনো মানুষের সামনে আমার দোষ ত্রুটি গোপন রেখে ইনবক্সে এসে আমাদের ভালো হতে বলে। এতে তার লাভ টা কি হতে পারে?? নির্মম বাস্তবতাটা উপলব্ধি করুন যে দিন শেষে যেই বন্ধুটা আমাদের হারাম পথে আহবান করা বন্ধুটা আমার কাছে প্রিয় হলেও,আমাদের ভালোর জন্য সতর্ক করে যাওয়া বন্ধুটা আমাদের কাছে খারাপ হয়ে যায়।
কাউকে অতীতের গুনাহ নিয়ে খোঁটা দিবেন না। অন্যের পরিবর্তনে নিজের জন্য এবং তার জন্য দোআ করুন। তারাই আপনাদের কথা অর্থাত মুসলিম উম্মাহকে নিয়ে ভাবে। আপনাদের সাহায্য করে শুধু দুনিয়ার জন্য নয় আখিরাতের জন্য। আপনাদের ভালো কাজে উৎসাহ দেয়, সাহায্য করে ও পাশে থাকে। ভালো, মন্দ বুঝতে সহায়তা করে।
আর যারা আপনার হারাম কাজের, পাপের সঙ্গী তারাই আপনার শত্রু। তাদের বুঝান। যদি ফীরে না আসে আল্লাহর পথে। আপনি খারাপ সঙ্গ দ্বারা প্রভাবিত হন তাহলে খারাপ সঙ্গী ত্যাগ করুন।
Comments
Post a Comment
আপনার ইতিবাচক মন্তব্যের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ