Skip to main content

পর্দার অজুহাতে ভন্ডামি

পর্দার অজুহাতে ভন্ডামি


তথাকথিত পর্দা করে যারা স্টোরিতে,পোস্টে,বিজনেজ পেইজে পিক আপলোড দেয়

অনেক খুশি হব।

গাইরতহীন মহিলাদের দল পর্দা নিয়ে মশকরা করে।


বোরখা, নিকাব রংবেরঙের মোজাতেও ফুল কতো ডিজাইন।  এসব পরপুরুষকে আকৃষ্ট করার জন্য। পর্দার জন্য নয়। পর্দার দ্বারা নিজের সৌন্দর্যকে ঢেকে রাখা হয়। আর এভাবে সৌন্দর্যকে উপস্থাপন করা হয়।


বর্তমানের বোরকাগুলো ঠিক কতটুকু শরঈ বোরখার আওতায় পরে??  টাইট-ফিটিং করার জন্য এখন ফিতাও লাগানো হয়, শরীর তো এমনিই প্রদর্শিত হয়ে যায়।  আর জামার ডিজাইন যেন সব এখন বোরখাতে, অনেকে আবার ঢিলেঢালা বোরকা পরে ঠিকই কিন্তু সাথে গায়ে একটু সুগন্ধিও লাগিয়ে নেয়।  

লাগাচ্ছে সেই হাত মোজার উপরে কোনোটাতে ফুল, কোনোটাতে হাতের আঙুলগুলো বের করা। এতে লাভ টা কি হলো? আপনার পর্দার উদ্দেশ্য কতটুকু হাসিল হলো এতে? এই আধা পর্দা দ্বারা আপনি কি বুঝাতে চাচ্ছেন? নিজেকে নিজেই প্রশ্ন করুন আপনার এই পরিধানকারী বোরকা কি সত্যি ফরজ বিধান পালনের জন্য? নাকি সৌন্দর্য বর্ধিতকরণের জন্য??

সুন্দর চোখগুলো দেখিয়ে ছেলেদের আকৃষ্ট করে। পিক আপলোড করে। উপরে আবাবর শুরশুরি দেওয়া ক্যাপশন। কেউ আবার ভালো ভিডিওর সাথে হিন্দি গান লাগিয়ে স্টরি দেয়, পোস্ট দেয়। কয়েক ডজন চুড়ি পড়ে হাতের পিকটা টাইমলাইনে, স্টরিতে দিয়ে দেয়। মিডিয়ার নাইকা আর তাদের মধ্যে কিছুটা হলেও মিল আছে। তারা পর্দাশীল ন। আরও মিল আছে। এদের শয়তানিতে কিছু লিবাসধারী ছেলে শয়তান এসে মাশা আল্লাহ,  নাইস, বিভিন্ন   কমেন্ট করে। এরা কোন লেভেলের মূর্খ আমার জানা নাই। কিছু নেক সুরতের শয়তান হারাম রিলেশনের স্ট্যাটাস দেয়। কিছু আবার বয়ফ্রেন্ডের কথায় বোরখা পড়ে। তাকওয়া থাকলে আল্লাহর ভয়ে পর্দা করতো।  লোকদেখানো আমল করতো না। কেউ দেয় বৃষ্টি ভেজা হাতের ছবি। যদি তোমার লজ্জা না থাকে তুমি যা খুশি করতে পারো। এদের থেকে সাবধান মুসলিম ভাই ও বোনেরা৷ কেউ নিজের মায়ের ছবি, বোনের ছবি আবার ভাইয়ে সাথে নিজের বোরখা পড়া ছবি দিয়ে ইসলামিক ক্যাপশন দেয়। এসব ভন্ডদের কমেন্ট বক্সে হাজারও ভন্ড ছেলেদের ভীড়। 

যারা ভালো পোস্ট করে ইসলামিক পোস্ট করে তাদের রিয়েক্ট কম। one kind of prostitute.

যারা তাদের রিয়েক্ট, কমেন্টের অভাব হয় না৷ বিশেষ করে থাকে নন মাহরামরা। এরা ফানি পোস্টও করে তবে ছেলেদের attention পাওয়ার জন্য। এদের শরীর দেখে কতো মানুষ মনের যীনায় লিপ্ত হতে পারে। চোখের যীনা তো আছেই। এসব ফিতনাবাজদের থেকে সাবধান।  এমন যারা আছেন তারা আল্লাহর জন্য নিজেকে পরিবর্তনের চেষ্টা করুন।













Comments